হবিগঞ্জের মাধবপুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত চৌমুহনী ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ খোকন মিয়াকে দেখতে গেছেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান সোহাগ।
সোমবার (২ নভেম্বর) তিনি আহত খোকন মিয়ার বাড়িতে গিয়ে তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। খোকন মিয়া বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস শহীদের ছেলে। তিনি বহরা ইউনিয়নের তেমুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য পদে প্রার্থী হওয়ারও আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কারা নির্যাতিত আওয়ামী লীগ নেতা ও বহরা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেনসহ স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
আহত যুবলীগ নেতাকে দেখতে যাওয়ার কয়েকটি ছবি স্থানীয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর শাহ আলম হৃদয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করলে তা নিয়ে স্থানীয়ভাবে আলোচনা সৃষ্টি হয়। দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে একজন রাজনৈতিক নেতার অসুস্থতার খোঁজ নেওয়ার ঘটনাটিকে সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যের ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখছেন অনেকে।
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শ্রীধাম দাশগুপ্ত বলেন, “আমাদের সময়ে আমরা মিলেমিশে ছিলাম। এখন তাঁদের পক্ষ থেকেও মিলেমিশে থাকতে কোনো সমস্যা নেই। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হিসেবে, দেশপ্রেমিক হিসেবে আমরা একসঙ্গে থাকতে চাই।”
বিএনপি নেতা আনোয়ার আলী বলেন, “সামাজিক বন্ধন বজায় রাখতে দল-মতের ঊর্ধ্বে গিয়ে কাজ করা হচ্ছে। সোহাগ ভাই জনমানুষের নেতা।”
রাজনৈতিক মতপার্থক্যের বাইরে গিয়ে অসুস্থ একজন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এ ঘটনাকে স্থানীয়ভাবে সৌহার্দ্য ও সামাজিক বন্ধনের একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।




